আজ || বৃহস্পতিবার, ২৫ Jun ২০২৬
শিরোনাম :
  গোপালপুর প্রেসক্লাবের সংবাদকর্মীদের সঙ্গে নবাগত ইউএনও’র মতবিনিময়       গোপালপুরসহ সারাদেশে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন       গোপালপুরে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের উদ্যোগে মাদকবিরোধী সভা অনুষ্ঠিত       তালের শাঁস বিক্রি করে সচ্ছলতার মুখ দেখছেন গোপালপুরের রবি       গোপালপুর পৌরসভায় কোরবানির বর্জ্য শতভাগ অপসারণ       মনে পড়ে ব্রহ্মপুত্র নদীপাড়ের রানার মানিকের কথা       গোপালপুরে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন       শিপন রানা ৪৬তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে প্রথম       নুরানী তালিমুল কুরআন বোর্ড বাংলাদেশের প্রশিক্ষণ কর্মশালা       গোপালপুরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে উপজেলা প্রশাসনের জরুরী মিটিং    
 


গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিম্নমানের খাবার পরিবেশন করার অভিযোগ

Photo-Gopalpur Hospital 08.01.2015  (5)

নিজস্ব প্রতিবেদক
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলা কমপ্লেক্সে রোগীদের নিন্মমানের খাবার ও নাস্তা সরবরাহের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পঁচা ও বাসি খাবার খেয়ে রোগীরা প্রায়ই অসূস্থ হয়ে পড়ছে। সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, অপরিচ্ছন্ন কিচেন ও নোংরা বাসণকোসনের সমাহার। খাদ্য তালিকায় সপ্তাহে তিন দিন মাংস এবং চারদিন মাছ দেয়ার কথা। কোনো কোনো ক্ষেত্রে খাবারের সাথে ডিম দেয়ার কথা। রাস্ট্রীয় বিশেষ দিবসে রোগীদের মধ্যে উন্নত মানের খাবার পরিবেশন করার কথা। কিন্তু কখনোই সেটি হয়না। সকালে নাস্তার নামে বাসি রুটি-কলা এবং দুপুরে ও রাতের খাবারে থাকে সস্তা পোলট্রি মুরগির উচ্ছিষ্ট। খাসি বা গরুর মাংস কখনোই জোটেনা রোগীদের। আর ভাত রেশনের মোটা চালের। যা মুখে তোলা যায়না। বীরনলহরা গ্রামের সিরাজ মিয়া (৮০) শ্বাসকষ্ট জনিত রোগে সপ্তাহ খানেক আগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তিনি গোপালপুর বার্তা ২৪ ডট কমকে জানান ‘ভাইরে আল্লাহ যেন কারোরই এমন হসপিটালে না আনে। এখানে শুধুই অবহেলা। সকালে ছোট্র একটা পাউরুটি আর ছেঁচে যাওয়া কলা। দুপুরে ডালের নামে শুধুই সিদ্ধ পানি। তরকারির ঝোল মুখে দিলে বমি আসে।’ পেট ব্যথা নিয়ে ভর্তি হওয়া মোমিনপুর গ্রামের মমতা বেগম বলেন ’ বাবারে তিন দিন পর আইজ সকালে একটা পাউরুটি আর কলা দিছে। খাতায় নাম উঠেনাই বইলা দুপুরে খাবার দেয়নাই।’ একই ওয়াডে দুদিন আগে ভর্তি হওয়া বরুরিয়া বেতবাড়ী গ্রামের আম্বিয়া বেগম বলেন, ‘খাবারের তালিকায় ডিম, পাউরুটি, কলা, সবজি, মাছ, মাংস, দুধ দেয়ার কথা আছে বইলা শুনছি। কিন্তু তা চোহেও দেহিনাই।’ অভিযোগে জানা যায়, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেহেদী এন্টারপ্রাইজ এর সত্বাধিকারী নন্দনপুরের লিয়াকত আলী দীর্ঘ দিন ধরে হাসপাতালে খাবার সরবরাহ ঠিকাদারির সাথে জড়িত। সরকারি মহলে তার যোগাযোগ থাকায় কাউকে সে পরোয়ানা করেনা। প্রভাবশালীদের ম্যানেজ করে হাসপাতালে অপরিচ্ছন্ন ও নিন্মমানের খাবার সরবরাহ করে লাভের টাকা সে পকেটে গুজছে। দুর্ভোগ পোহাচ্ছে সাধারন রোগীরা। এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য প্রশাসক ডাঃ মতিউর রহমানের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, প্রতি রোগীর দৈনিক খাবার বাবদ মাত্র ১২০ টাকা সরবরাহ করা হয়। এ টাকায় মান সম্মত খাবার দেয়া একটু কঠিন। ঠিকাদার আগে নিন্মমানের খাবার সরবরাহ করতো। ইদানিং প্রশাসণ কিছুটা চাপাচাপি করায় খাবারের মান কিছুটা হলেও বাড়িয়েছে।

মন্তব্য করুন -


Top
error: Content is protected !!