আজ || বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম :
  হেমনগর জমিদারের একাল-সেকাল’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন       গোপালপুরে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ       গোপালপুরে পটগান ও নাটক প্রদর্শনী       গোপালপুর হাসপাতালে মুক্তিযোদ্ধারা বিনামূল্যের চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত       গোপালপুরে সাংবাদিকদের সাথে ওসির মতবিনিময়       গোপালপুরের লক্ষীপুর চাকুরীজীবী পরিষদ কর্তৃক শীতবস্ত্র বিতরণ       গোপালপুরে শিশু শিক্ষার্থীদের মাঝে সুয়েটার উপহার       গোপালপুরে স্বামীর হাতে দুই সন্তানের জননী খুন       গোপালপুরে দুই বিঘা জমির কাঁচা সরিষা ট্রাক্টর দিয়ে মাড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ       গোপালপুরে গুদামের শার্টার ভেঙ্গে সার চুরি, ১০ বস্তা ইউরিয়া সারসহ আটক ১    
 


গোপালপুরে দুই বিঘা জমির কাঁচা সরিষা ট্রাক্টর দিয়ে মাড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ

গোপালপুর বার্তা ডেক্স :

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের নবধুলটিয়া গ্রামে লীজের জমির ফসল নিয়ে বিরোধের জেরে এক প্রান্তিক চাষীর দুই বিঘা জমির আধা পাকা সরিষা ট্রাক্টর দিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছে জমির মালিক।

জানা যায়, ওই গ্রামের রুবি বেগমের দুই বিঘা জমি লীজ নিয়ে দুই বছর ধরে ফসল আবাদ করেন একই গ্রামের রায়হান ও রফিকুল। জমিতে এবার হাইব্রিড সরিষা লাগিয়ে ছিলেন। আধা পাকা সরিষা মাত্র এক সপ্তাহ পরেই ঘরে তোলার কথা। ফলন ভালো হওয়ায় লক্ষাধিক টাকার ফসল পাওয়ার আশা করেছিলেন গরীব দুই চাষী।

প্রান্তিক চাষী রায়হানের অভিযোগ, আজ শনিবার সকাল দশটায় রুবি বেগম ও তার স্বামী শামছুল হক থানা পুলিশ নিয়ে গ্রাম আসে। সালিশী বৈঠকের অছিলায় নাম মাত্র ক্ষতিপূরণ নিয়ে জমি ছেড়ে দিতে চাপ দেয়। মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই পাকা সরিষা তুলে জমি ছাড়ার কথা বলতে না বলতেই রুবি বেগম থানা পুলিশের উপস্থিতিতে ট্রাক্টর ডেকে এনে সরিষা ক্ষেতে নামান এবং দেড় ঘন্টার মধ্যে জমির আধা পাকা সরিষা ফসল মাটির সাথে মিশিয়ে দেন। বহু কানাকাটি করেও তিনি ফসল রক্ষা করতে পারেননি।

জমির মালিক রুবি বেগম জানান, তিনি জমির মালিক হলেও আপন ভাই হাফিজুর রহমান এ দুজনকে আমার পক্ষ থেকে মৈখিকভাবে লীজ দিয়েছিল। কিন্তু লীজ মানি তাকে বুঝিয়ে দেয়া হয়নি। এ জন্য জমি থেকে বৈধভাবে তাদেরকে উচ্ছেদের চেষ্টা করে সফল হইনি। এ জন্য থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি। পুলিশ এসে তাদেরকে জমি ছেড়ে দিতে বলে। রায়হান কিছু ক্ষতিপূরণ নিয়ে জমি ছেড়ে গেলও রফিকুল ধারের কাছেও আসছিলনা। তাছাড়া তারা সরাসরি আমার নিকট থেকেও লীজ নেয়নি। এমতাবস্থায় তারা জমি ছেড়ে না দেয়ায় পুলিশের পরামর্শে ট্রাক্টর দিয়ে সরিষা ফসল ধংস করা হয়।

মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম লাভলু জানান, লীজ নিয়ে বিরোধ থাকলেও জমির ফসল ধংস করার অধিকার কারোর নেই। সরিষা ফসল ধংস করার কাজটি সঠিক হয়নি। দুই পক্ষকে নিয়ে বসে বিষয়টি মিমাংসা করা হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার শামীমা আক্তার জানান, লীজ নিয়ে বিরোধ থাকতেই পারে। কিন্তু কোন ফসল ধংস করার অধিকার কারো নেই।

গোপালপুর থানার এসআই শফিউল ইসলাম জানান, লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিত বিষয়টি নিস্পত্তি করতে পুলিশসহ তিনি ওই গ্রামে গিয়েছিলো। তিনি বিষয়টি পুরো ফয়সালা করতে পারেননি। পুলিশ চলে আসার পরেই জমির মালিক ট্রাক্টর দিয়ে ফসল ম্যাসাকার করেন। এভাবে ফসল ধংস করাটা সম্পূর্ন বেআইনী।

মন্তব্য করুন -


Top
error: Content is protected !!