আজ || শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম :
  গোপালপুরে কোটা বিরোধীদের বিপক্ষে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিবাদ       গোপালপুর প্রেসক্লাবে মেধাবী শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময়       গোপালপুরে শতাধিক নিষিদ্ধ জাল পুড়িয়ে ধ্বংস       গোপালপুরে বর্নাত্যদের জন্য ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প       গোপালপুরে বন্যায় পানীয় জলের সংকট, তবে ক্ষতিগ্রস্তরা পাচ্ছে পর্যাপ্ত ত্রাণ       গোপালপুরে ভূয়া নামজারি ও জাল খতিয়ান তৈরি চক্রের দুই সদস্য আটক       টাঙ্গাইল জেলা সমিতি ঢাকা’র নবনির্বাচিত সভাপতি ইব্রাহীম, সম্পাদক হিরণ       গোপালপুরে বৃত্তি প্রদান ও পুরস্কার বিতরণ       গোপালপুরে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী পালন       গোপালপুরে ভূমি সেবা সপ্তাহে কুইজ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ    
 


গোপালপুরে গাছ পাচারের অভিযোগে মানববন্ধন; অধ্যক্ষের শাস্তি দাবি

ডেক্স নিউজ, গোপালপুর বার্তা :
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের বাংলাবাজার ছামাদীয়া মাদ্রাসার প্রাঙ্গণ থেকে রাতের আধারে গাছ চুরির সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তি দাবি জানানো হয়েছে।

গতকাল বুধবার দুপুরে মাদ্রাসার প্রধান ফটকে আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানানো হয়। এতে এলাকার প্রবীন ব্যক্তি শাহাদাৎ হোসেন নেতৃত্ব দেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন বিল্পব পন্ডিত, হাফিজুর রহমান, হাজী আবুল কালাম আজাদ, সোহেল রানা, ফজল হোসেন প্রমুখ।

বক্তারা অভিযোগ করেন, মাদরাসা অধ্যক্ষ আবুল কালাম নানা দুর্নীতির সাথে জড়িত। সম্প্রতি তিনি মাদ্রাসা প্রাঙ্গণের কয়েক লক্ষ টাকা দামের  প্রাচীন ৮টি গাছ গোপনে কেটে স’মিলে পাচার করেন। এলাকার দুজন স’মিল মালিক তাকে এ কাজে সহযোগিতা করেন। গাছ কর্তন ও পাচার করা টাকা মাদরাসা ফান্ডে জমা না দিয়ে তিনি সে টাকা আত্মসাৎ করেন। মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটি এ ব্যাপারে নীরবতা পালন করায় প্রতিকার চেয়ে মাস খানেক আগে এলাকাবাসিরা উপজেলা প্রশাসনের নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু উপজেলা প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নেয়নি। তারা গাছ চুরি ও পাচারের অভিযোগে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধার এডভোকেট শামসুল আলম জানান, বিনানুমতিতে অধ্যক্ষ সাহেব গাছে কেটে অন্যায় করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অধ্যক্ষ আবুল কালাম জানান, তিনি গাছ চুরি করেননি। গোপনে কাটেনি। তিনটি গাছ ঝড়ে ভেঙ্গে গিয়েছিল। আর নতুন ভবনের ছাদঢালাইয়ের জন্য তিনটি গাছ কাটা অপরিহার্য ছিল। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মৌখিক অনুমতিক্রমে কয়েকটি গাছ কাটা হয়। গাছ বিক্রির টাকা মাদ্রাসার ক্যাশে জমা রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. পারভেজ মল্লিক জানান, গাছ কাটার ক্ষেত্রে কিছু সরকারি আইনকানুন রয়েছে। অধ্যক্ষ সেই আইনের তোয়াক্কা না করে গাছ কর্তন ও বিক্রি করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। লিখিত অভিযোগটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে। তদন্ত রির্পোট পাওয়ার পর তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাঁকে কখনো মৌখিকভাবে গাছ কাটার জন্য কোন অনুমোদন দেওয়া হয়নি।

মন্তব্য করুন -


Top
error: Content is protected !!