আজ || বুধবার, ২৪ Jun ২০২৬
শিরোনাম :
  গোপালপুর প্রেসক্লাবের সংবাদকর্মীদের সঙ্গে নবাগত ইউএনও’র মতবিনিময়       গোপালপুরসহ সারাদেশে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন       গোপালপুরে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের উদ্যোগে মাদকবিরোধী সভা অনুষ্ঠিত       তালের শাঁস বিক্রি করে সচ্ছলতার মুখ দেখছেন গোপালপুরের রবি       গোপালপুর পৌরসভায় কোরবানির বর্জ্য শতভাগ অপসারণ       মনে পড়ে ব্রহ্মপুত্র নদীপাড়ের রানার মানিকের কথা       গোপালপুরে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন       শিপন রানা ৪৬তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে প্রথম       নুরানী তালিমুল কুরআন বোর্ড বাংলাদেশের প্রশিক্ষণ কর্মশালা       গোপালপুরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে উপজেলা প্রশাসনের জরুরী মিটিং    
 


গোপালপুরে এক ক্যাডার কর্মকর্তার ষ্ট্যাটাস নিয়ে তোলপাড়

গোপালপুর বার্তা ডেক্স :
গোপালপুর উপজেলায় কর্মরত এক বিসিএস ক্যাডার কর্মকর্তাকে অপর নন-ক্যাডার কর্মকর্তা  প্রকাশ্যে নাম ধরে ডাকানাকা করায় সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে চলছে অসন্তোষ।

ওই বিসিএস ক্যাডার কর্মকর্তা গত বৃহস্পতিবার তার ব্যক্তিগত ফেসবুক ওয়ালে এসব নিয়ে এক স্ট্যাটাস দেন। স্ট্যাটাসে এক নন-ক্যাডার কর্মকর্তাকে উদ্দেশ্য করে তিনি লিখেন, “সম্পূর্ণ ভিন্ন সার্ভিসের লোক হয়ে অন্য সার্ভিসের আরেকজনকে আপনি নাম ধরে ডাকছেন। এমনভাবে ট্রিট করছেন যেন সে আপনার অধীনস্ত এবং জুনিয়র। প্রথমত, এটি আপনার হীনমন্যতা আর জীবনে কাঙ্খিত কিছু না পাওয়ার বেদনা। যে কারণে আপনার কমপ্লেক্সিটি আর ক্রাইসিস। অন্তত আমি তাই মনে করি। আর দ্বিতীয়ত আপনি শিষ্টাচার জানেন না।”

এ বিষয়ে কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তা গোপালপুর বার্তাকে জানান, স্ট্যাটাসটি সম্ভবত উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের এক নন-ক্যাডার বড়কর্তাকে ইঙ্গিত করে লেখা। কারণ ওই ননক্যাডার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শিষ্টাচার ভেঙ্গে অপর পদস্ত ক্যাডার কর্মকর্তাকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নাম ধরে ডাকাডাকি করেন। সরকারি-বেসরকারি যে কোন অনুষ্ঠানে গিয়ে ওই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আগেভাগেই চেয়ার দখল করেন। অনুষ্ঠান মঞ্চে সভাপতি ও প্রধান অতিথির পাশের চেয়ার না পেলে তিনি রুষ্ট হন।

দৃষ্টান্ত হিসাবে জানান, গত ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে গোপালপুর সরকারি কলেজ মাঠে সীমিত পরিসরে যে সরকারি অনুষ্ঠানের আয়োজন ছিল, তাতে আসন বিন্যাসে স্থানীয় সাংসদের ঠিক পাশের চেয়ার না দেয়ায় ‘ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স’ বা প্রটোকল তালিকার পদমর্যাদার ক্রমবিণ্যাস নিয়ে অবান্তর প্রশ্ন তুলে অনুপস্থিত থাকেন ওই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা। অথচ নিয়ম অনুযায়ী স্থানীয় সাংসদের পাশে উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, পৌর মেয়র আসন পাবার নিয়ম।

গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. পারভেজ মল্লিক জানান, ক্যাডার নন-ক্যাডার সবাই এসেছেন গোপালপুরের জনগনকে সেবা দিতে। এটিই তাদের একমাত্র দায়িত্ব ও কর্তব্য। কারণ জনগণ হলো সবার উপরে। সরকারের পদমর্যাদাক্রম মেনেই উপজেলা প্রশাসন পরিচালিত হয়। কোন অবান্তর প্রশ্ন সরকারি কর্মকর্তার মুখে মানায়না। আর কোন সরকারি কর্মকর্তা অপর সরকারি কর্মকর্তাকে অফিসিয়ালী বা আনুষ্ঠানিকভাবে  সরাসরি নাম ধরে ডাকার কাজটি করে থাকলে সেটি হয়েছে অসুন্দর ও অরুচিকর কাজ।

মন্তব্য করুন -


Top
error: Content is protected !!