আজ || মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
শিরোনাম :
  গোপালপুরের সেই বাড়িতে দুর্ধষ চুরি, এলাকায় আতঙ্ক       গোপালপুরে লবণের সঙ্গে নেশাজাতীয় দ্রব্য; শিশুসহ একই পরিবারের ৭ জন হাসপাতালে       এসএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের অনুশোচনা নেই – আব্দুস সালাম পিন্টু এমপি       গোপালপুরের উন্নয়ন নিয়ে প্রেসক্লাবে মতবিনিময় সভা       কৃষকনেতা ও সাংবাদিকের মুক্তির দাবিতে গোপালপুরে সিপিবির মানববন্ধন       গোপালপুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে কৃষক দলের বিজয় র‍্যালি       গোপালপুরের হাদিরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু আল হেলাল       গোপালপুরে ২১ এইচএসসি পরীক্ষার্থীর ওএমআর শিট হারিয়ে গেছে, আহ্বায়ককে অব্যাহতি       প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নদী খনন কর্মসূচির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে : প্রতিমন্ত্রী টুকু       গোপালপুরে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষকদের সংবর্ধনা    
 


গোপালপুরে হাতেম আলী উচ্চবিদ্যালয়ের দুর্নীতি নিয়ে পাল্টিপাল্টি অভিযোগ

গোপালপুর বার্তা ডেক্স :

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার মির্জাপুর হাতেম আলী বিএল উচ্চবিদ্যালয়ের দুর্নীতি নিয়ে পল্টাপাল্টি অভিযোগ পাওয়া গেছে। উভয় পক্ষ আজ সোমবার স্থানীয় প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে দুর্নীতির ফিরিস্তি তুলেন।

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সদস্য আয়নাল হোসেন লিখিত অভিযোগে জানান, প্রধান শিক্ষক আব্দুল জলিল তালুকদার ইন্টারভিউ বোর্ডে তৃতীয় হন। কিন্তু ম্যানেজিং কমিটিকে বিপুল অঙ্কের উৎকোচ দিয়ে তিনি প্রধান শিক্ষকের পদ বাগিয়ে নেন। এজন্য স্কুলে যোগদানের পর স্টাফরা তাকে বয়কট করে ক্লাস বর্জন করেন। তিনি স্কুল ক্যাম্পাসের দশ লক্ষ টাকার গাছ অবৈধভাবে বিক্রি করে আত্মসাৎ করেন।

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ তিনি জালিয়াতি করে দাতা কোটায় লোকমান হোসেনকে ম্যানেজিং কমিটির সদস্য হিসাবে অর্ন্তভূক্ত করেন। শূণ্য পদে সাতজন শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে তিনি লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেন। বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই গোপনে স্কুলের জমি কেনাবেচা করে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেন। দুর্নীতির অভিযোগে বরখাস্তের দাবিতে শিক্ষার্থীরা সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে জুতা মিছিল করেন।

এদিকে প্রধান শিক্ষক আব্দুল জলিল আজ সোমবার স্থানীয় প্রেসক্লাবে পৃথক সংবাদ সম্মলেনে অভিযোগ করেন, স্বার্থান্বেষী মহল চাঁদা না পেয়ে বানোয়াট অভিযোগে তাকে হয়ানি করছেন। তিনি বৈধভাবে নিয়োগ পেয়ে চাকরিতে যোগ দিয়েছেন। স্কুল ক্যাম্পাসের কয়েকটি গাছ কেটে স্কুলের কাজেই তা লাগিয়েছেন। জালিয়াতি করে কোনো দাতা সদস্য নিয়োগ দেয়া হয়নি। শিক্ষক নিয়োগেও কোন দুর্নীতি হয়নি। সরকারি নিয়মনীতি মেনে ও অনুমতি সাপেক্ষে স্কুলের জরুরী প্রয়োজনেই জমি কেনাবেচা করেছেন। বিক্রির টাকা ব্যাংকে জমা রয়েছে। কোনো আত্মসাতের ঘটনা ঘটেনি। স্বার্থান্বেষী মহল স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ভুল বুঝিয়ে জুতা মিছিল করানোর ব্যবস্থা করেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিকাশ বিশ্বাস জানান, বিষয়টি তদন্তের জন্য উপজেলা কৃষি অফিসার শফিকুর রহমানকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি করে দেয়া হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা পেলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।


Top
error: Content is protected !!