আজ || শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
  গোপালপুরে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ       গোপালপুরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের বিদায় সংবর্ধনা       গোপালপুর প্রেসক্লাবের সংবাদকর্মীদের সঙ্গে নবাগত ইউএনও’র মতবিনিময়       গোপালপুরসহ সারাদেশে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন       গোপালপুরে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের উদ্যোগে মাদকবিরোধী সভা অনুষ্ঠিত       তালের শাঁস বিক্রি করে সচ্ছলতার মুখ দেখছেন গোপালপুরের রবি       গোপালপুর পৌরসভায় কোরবানির বর্জ্য শতভাগ অপসারণ       মনে পড়ে ব্রহ্মপুত্র নদীপাড়ের রানার মানিকের কথা       গোপালপুরে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন       শিপন রানা ৪৬তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে প্রথম    
 


হৃদয়বিদারক দৃশ্য! ক্ষুধা মেটাতে মৃত মায়ের দুধ পান

নিউজ ডেস্ক : রেললাইনের পাশে পড়ে আছে মায়ের নিথর দেহ। চিরদিনের মতো শিশুকে এতিম করে মা চলে গেছেন না ফেরার দেশে। কিন্তু ১৭ মাস বয়সের অবুঝ শিশু একদমই বোঝে না সে কথা৷ তার খিদে পেয়েছে৷ আর তাই মৃত মায়েরই বুকে ঠোট দিয়ে স্তন্যপান করতে চাইছে সে৷ পারছে না৷ আবার চেষ্টা করছে৷ আপ্রাণ চেষ্টা করে জাগিয়ে তুলতে চাইছে তার মাকে৷ কিন্তু কী করে জানবে চিরঘুম থেকে মা আর কোনও দিনই জেগে উঠবে না!

এই দৃশ্য দেখে উপস্থিত জনতা দুই চোখের পানি ধরে রাখতে পারেনি। এরকমই হৃদয়বিদারক দৃশ্যের সাক্ষী থাকল মধ্যপ্রদেশের দামো জেলা৷ রাজধানী ভোপাল থেকে প্রায় ২৫০ কিমি দূরের জেলার এই ছবি ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে ভাইরাল৷ অনুমান করা হচ্ছে, ট্রেন থেকে কোনওভাবে পড়ে যান ওই মহিলা৷ মাথায় গুরুতর চোট পাওয়ার কারণেই তাঁর মৃত্যু ঘটে৷ কিন্তু আশ্চর্যভাবে বেঁচে যায় শিশুটি৷ সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা দেখতে পায় মর্মান্তিক দৃশ্য৷ দেখা যায়, মৃত মায়ের বুকের উপর উঠে স্তন্যপান করার চেষ্টা করছে শিশুটি৷ অনুমান করা হচ্ছে, পড়ে যাওয়ার পরও মহিলা কিছুক্ষণ সজ্ঞানেই ছিলেন৷ শিশুটিকে খাওয়ানোর চেষ্টা করেছিলেন সম্ভবত৷ তারপরই প্রাণ হারান তিনি৷ কিন্তু ওই অবস্থাতেই শেষবার মায়ের দুধ খাওয়ার চেষ্টা ছাড়েনি শিশুটি৷

মৃতদেহটিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হলে কিছুতেই মাকে ছাড়তে নারাজ ছিল মাস সতেরোর শিশুটি৷ এরপর শুরু হয় একপ্রস্থ নাটক৷ সরকারি এক হাসপাতালে তাদের নিয়ে যাওয়া হলেও, প্রথমে ভর্তি নেওয়া হয়নি৷ কেননা কেউ অ্যাডমিশন ফি হিসেবে দশ টাকাও বের করতে চায়নি৷ শেষমেশ এক ওয়ার্ড বয় টাকা দিয়ে তাদের ভর্তির ব্যবস্থা করে৷

শিশুটিকে আপাতত একটি হোমে রাখা হয়েছে৷ মহিলার পরিবারের কেউ আছে কিনা, তার খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ৷

মন্তব্য করুন -


Top
error: Content is protected !!