কে এম মিঠু, গোপালপুর : টাঙ্গাইলের গোপালপুরে সমাজে অবাধে মাদক বিক্রি ও মাদক সেবন থেকে সবাইকে বিরত রাখার লক্ষ্যে সচেতনতা ও প্রচারণামূলক মাদক বিরোধী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ’নেশা মুক্ত থাকব,
কে এম মিঠু, গোপালপুর : টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ছাত্রলীগের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, বর্ণাঢ্য র্যালি, কেক কাটা, আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। বেলা ১১টায়
জয়নাল আবেদীন সভাপতি : নূরুজ্জামান সম্পাদক কে এম মিঠু, গোপালপুর : ‘সুস্থধারার গ্রামীণ সাংবাদিকতা শুরু হোক, অপসাংবাদিকতা বন্ধ হোক’ এ শ্লোগানকে সামনে রেখে উত্তর টাঙ্গাইলের ৬টি উপজেলার সাংবাদিকদের সমন্বয়ে উত্তর
মানুষ মানুষের জন্য.. শিশু কন্যা সনির জন্ম টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায়। নয় বছর বয়সের এই অসহায় শিশুর বাবা আব্দুল হামিদ একজন ভূমিহীন দিনমুজুর। সনি এক ভিন্ন ধরণের শারীরিক প্রতিবন্ধী হয়ে জন্ম
কে এম মিঠু, গোপালপুর : গোপালপুর উপজেলার ঝাওয়াইল মহারানী হেমন্তকুমারী হাইস্কুল মাঠে দু’দিনব্যাপি পৌষ সংস্কৃতি উৎসব আজ রবিবার শেষ হয়। গতকাল শনিবার উৎসবের উদ্ধোধন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান ইউনুস ইসলাম তালুকদার।
কে এম মিঠু, গোপালপুর : গোপালপুরে আব্দুল হামিদ আলাউদ্দিন মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন আয়োজিত আব্দুল হামিদ আলাউদ্দিন স্মৃতি বৃত্তি পরিক্ষা আজ ১৮ ডিসেম্বর রবিবার সকাল ১১টায় পৌরশহরের মেহেরুন্নেছা মহিলা কলেজে অনুষ্ঠিত হয়।
কে এম মিঠু, গোপালপুর : ‘দেশ প্রেমের শপথ নিন, দুর্নীতিকে বিদায় দিন’ প্রতিপাদ্যে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস ২০১৬ উপলক্ষে টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি (দুপ্রক) কর্তৃক ৯ ডিসেম্বর শুক্রবার
কে এম মিঠু, গোপালপুর : টাঙ্গাইলের গোপালপুরে নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে গতকাল ১০ ডিসেম্বর শনিবার পাকহানাদার মুক্ত দিবস আড়ম্বরপূর্ণ ভাবে পালিত হয়েছে। দিনটি উপলক্ষ্যে গোপালপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আয়োজনে বিভিন্ন
কে এম মিঠু, গোপালপুর : ১০ ডিসেম্বর গোপালপুরের ইতিহাসে গৌরবোজ্জল একটি দিন। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে প্রায় ৮ মাস পাকহানাদার বাহিনী কর্তৃক গোপালপুরবাসী হত্যা, ধর্ষণ ও পাশবিক নির্যাতনের পর ১৯৭১ সালের
– কে এম মিঠু বাঙ্গালীর শ্রেষ্ঠ অর্জন মহান স্বাধীনতা। অনেক রক্তক্ষয়ের বিনিময়ে এ মাসেই মহান বিজয় অর্জিত হয়েছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহনকারী খেতাবপ্রাপ্ত বীরমুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ছয়শ’৭৬ জন।