আজ || শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
  গোপালপুরে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন       গোপালপুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত       বাবু শ্যাম শংকর দত্তের ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ       গোপালপুরে দ্বিতীয় বিয়ের কয়েক ঘণ্টার মাথায় বাসরঘরে বরের মৃত্যু       পাকা মসজিদ বানানোর কথা বলে টাকা নেওয়া প্রতারক গোপালপুরে আটক       গোপালপুরে ১২০০ মিটার অবৈধ চায়না জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস       গোপালপুরে ইয়াবা বিক্রির অভিযোগে নারীসহ ৩ জন আটক       এসএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের অনুশোচনা নেই – আব্দুস সালাম পিন্টু এমপি       গোপালপুরের উন্নয়ন নিয়ে প্রেসক্লাবে মতবিনিময় সভা       কৃষকনেতা ও সাংবাদিকের মুক্তির দাবিতে গোপালপুরে সিপিবির মানববন্ধন    
 


গোপালপুরের হাদিরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু আল হেলাল

নিজস্ব প্রতিবেদক :

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ২নং হাদিরা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছে সুখী পল্লীমা সোসাইটির চেয়ারম্যান এস. এম. আল হেলালের নাম।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আল হেলাল বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। অসহায় মানুষের চিকিৎসা সহায়তা, শিক্ষা সহযোগিতা, খাদ্য বিতরণ, বিয়ে-শাদিতে আর্থিক সহায়তা এবং বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে অংশগ্রহণের কারণে তিনি স্থানীয়দের কাছে একটি পরিচিত মুখ।

এলাকার বাসিন্দারা জানান, সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে এস. এম. আল হেলালকে অনেকেই ইতিবাচকভাবে দেখছেন। তাদের মতে, জনপ্রতিনিধির অন্যতম দায়িত্ব হলো মানুষের সমস্যার কথা শোনা এবং প্রয়োজনের সময় পাশে দাঁড়ানো।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, মসজিদ-মাদ্রাসা, স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নমূলক কার্যক্রমেও তিনি অনেক সহযোগিতা করে আসছেন। ফলে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে তাকে নিয়ে অত্র ইউনিয়নের আনাচে-কানাচে আলোচনা বাড়ছে।

অন্যদিকে, ইউনিয়নের সাধারণ ভোটাররা আগামী নির্বাচনে এমন একজন নেতৃত্ব প্রত্যাশা করছেন, যিনি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় সহযোগিতা এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।

তরুণদের একটি অংশের মতে, খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও কর্মমুখী উদ্যোগ বাড়ানো গেলে যুবসমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রাখা সম্ভব হবে। এ ক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধিদের কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন। যা তাঁকে দিয়ে অনেকটাই সম্ভব।

স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে, সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা আরও বাড়বে। তবে শেষ পর্যন্ত চেয়ারম্যান পদে জনগণ কাকে বেছে নেবেন, তা নির্ধারণ হবে ভোটারদের রায়ের মাধ্যমে।

হাদিরা ইউনিয়নের ভোটারদের প্রত্যাশা- যে-ই নির্বাচিত হোন না কেন, তিনি যেন সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য সমানভাবে কাজ করেন এবং ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখেন।


Top