গোপালপুর বার্তা ডেক্স :
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের শাখারিয়া গ্রামে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। অসহায়, দরিদ্র ও নিম্নআয়ের পরিবারের জীবনমান উন্নয়ন এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারের এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) শাখারিয়া গ্রামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন গোপালপুর-ভূঞাপুর আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুস সালাম পিন্টু। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মঞ্জুরুল মোর্শেদ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, অসহায় ও অভাবগ্রস্ত মানুষের কল্যাণে নির্বাচনী ইশতেহারে দেয়া প্রতিশ্রুতির ধারাবাহিকতায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে উপযুক্ত সুবিধাভোগী পরিবারগুলোকে এ কর্মসূচির আওতায় আনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
তারা বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রকৃত অসহায় ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলো সরকারি সহায়তা পাবে। এর ফলে দরিদ্র মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ও আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গোপালপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম রুবেল, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা এখলাছ উদ্দিন, প্রেসক্লাব সভাপতি জয়নাল আবেদীন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আমিনুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক এহসানুল হক ওপেল চৌধুরী, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক চান মিয়া ও উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম বাবলু।
এ ছাড়া হেমনগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ভিপি গোলামরোজ তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, সিনিয়র সহসভাপতি জসীম মেম্বার, সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, হেমনগর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্যানেল চেয়ারম্যান ডা. শামসুল আলম, ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর তালুকদার, সদস্যসচিব গিয়াস উদ্দিন ও যুগ্ম আহ্বায়ক ফজলুসহ যুবদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে গোপালপুর উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সভাপতি নাজমুল ইসলাম শিশিরসহ বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং শাখারিয়া গ্রামের বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন। ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম বাস্তবায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হেমনগর ইউনিয়নের সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারীরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, প্রকৃত অসহায় ও দরিদ্র পরিবারগুলো যেন কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই স্বচ্ছতার সঙ্গে ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা পায়, সেটিই তাদের প্রত্যাশা।