আজ || বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
  গোপালপুরের মেধাবী শিক্ষার্থী রাকিবকে যেভাবে হত্যা করে মামুন       পাকা মসজিদ বানানোর কথা বলে টাকা নেওয়া প্রতারক গোপালপুরে আটক       গোপালপুরে ১২০০ মিটার অবৈধ চায়না জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস       গোপালপুরে ইয়াবা বিক্রির অভিযোগে নারীসহ ৩ জন আটক       এসএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের অনুশোচনা নেই – আব্দুস সালাম পিন্টু এমপি       গোপালপুরের উন্নয়ন নিয়ে প্রেসক্লাবে মতবিনিময় সভা       কৃষকনেতা ও সাংবাদিকের মুক্তির দাবিতে গোপালপুরে সিপিবির মানববন্ধন       গোপালপুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে কৃষক দলের বিজয় র‍্যালি       গোপালপুরের হাদিরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু আল হেলাল       গোপালপুরে ২১ এইচএসসি পরীক্ষার্থীর ওএমআর শিট হারিয়ে গেছে, আহ্বায়ককে অব্যাহতি    
 


ব্রাজিলের হাতেই ট্রফি দেখছেন পাহেইরা!

বিশ্বকাপের ঘণ্টা বাজতে বাকি আর ১৫ দিন। প্রস্তুতিতে নেমে পড়েছে চূড়ান্ত পর্বে ওঠা ৩২ দেশ। ফুটবল বিশ্লেষকরাও বসে নেই, চুলচেরা বিশ্লেষণে কেউ স্পেনকে, কেউ আর্জেন্টিনাকে, কেউ আবার নতুন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দেখার অপেক্ষায়। তবে স্বাগতিক ব্রাজিলকে ফেভারিট মানছেন না- এমন লোকের সংখ্যাই বেশি। বিশ্বকাপজয়ী সাবেক কোচ কার্লোস আলবার্তো পাহেইরা তো এখনই দেখছেন ‘সেলেসাওরা ‘ট্রফিতে এক হাত দিয়ে রেখেছে!’ ব্রাজিলের বিশ্বসেরা ডিফেন্স লাইন আপই স্বপ্ন দেখাচ্ছে তাঁকে।

পাহেইরার ছায়াতলেই ১৯৯৪ সালে চতুর্থ বিশ্বকাপ জিতেছিল ব্রাজিল। এবারও ব্রাজিলের সঙ্গী তিনি ঘরের মাঠের বিশ্বকাপে। এবার অবশ্য কোচের ভূমিকায় নয়, লুই ফেলিপে স্কলারির দলের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর হিসেবে পাহেইরা কাজ করছেন ২০১২ সাল থেকে। যে কারণে খুব কাছ থেকে দেখেছেন ‘হেক্সা’ মিশনের যোদ্ধাদের। তাই ডিফেন্স নিয়ে তাঁর প্রত্যাশা মোটেও বাড়াবাড়ি নয়। বিশ্বের সবচেয়ে দামি দুই ডিফেন্ডার তো তাঁদের দলেই। দাভিদ লুইজকে রেকর্ড ৫০ মিলিয়ন ইউরোতে কিনেছে প্যারিস সেন্ত জার্মেই, অধিনায়ক থিয়াগোকেও তো ফরাসি ক্লাবটি ২০১২ সালে এনেছে ৪২ মিলিয়ন ইউরোতে। এমন বিশ্বসেরা দুই সেন্ট্রাল ডিফেন্ডারের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন সদ্য চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতা রিয়াল মাদ্রিদ ডিফেন্ডার মার্সেলো। দানি আলভেস তো আছেনই। সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাই নিজেদের শক্তিশালী ডিফেন্স লাইন আপের প্রশংসা ঝরল পাহেইরার কণ্ঠে, ‘গতকাল (রবিবার) দুপুরে মার্সেলো যোগ দিয়েছে দলের সঙ্গে। অন্যরা তো আগে থেকেই আছে। খেলোয়াড়দের ওপর আমাদের পূর্ণ আস্থা আছে। স্কোয়াডের দিকে তাকিয়ে দেখুন, সবচেয়ে সেরা ও দামি সেন্ট্রাল ডিফেন্স আমাদের দলে। ম্যাক্সওয়েলও আছে, দুর্দান্ত সব খেলোয়াড়, অসাধারণ ফরোয়ার্ড।’

এমন একটি ভারসাম্যপূর্ণ দল, সঙ্গে ঘরের মাঠের টুর্নামেন্ট- চোখ বন্ধ করে ফেভারিটের তকমা সেঁটে দিচ্ছেন পাহেইরা ব্রাজিলের গায়ে। কিন্তু সেটা নিয়ে খেলোয়াড়রা যাতে মাতামাতি না করেন, এটাও মনে করিয়ে দিয়েছেন সাবেক ব্রাজিল কোচ এই বলে, ‘এটা বলছি না বিশ্বকাপ আমরাই জিতব, তবে আমরা ফেভারিট। ২০০২ বিশ্বকাপে ৯০ শতাংশ মানুষের বাজি ছিল আর্জেন্টিনা কিংবা ফ্রান্স, যারা গ্রুপ পর্বই পেরোতে পারেনি। এটা (ফেভারিট তকমা) আসলে খেলা পাল্টে দিতে পারে না। মাঠে গিয়ে দেখাতে হবে আপনি এটার যোগ্য।’

১৯৫০ সালের ‘মারাকানা ট্র্যাজিডি’ পাহেইরার মনে আজও টাকটা। এবার সেই দুঃসহ স্মৃতি থেকে ব্রাজিলিয়ানরা বেরিয়ে আসতে পারবে বলেই বিশ্বাস তাঁর, ‘আগের সব বিশ্বকাপের চেয়ে এবারেরটা আলাদা। এবার আমরা ঘরের মাঠে খেলতে নামছি, চেষ্টা করব ওই দুঃসহ যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়ার। আগেরবার হেরেছি, এবার আর হারতে চাই না। অবশ্যই সেলেসাওরা ভক্তদের কাছ থেকে প্রচুর সমর্থন পাবে, তারাই আমাদের দ্বাদশ খেলোয়াড়।’ গোল ডটকম, এএফপি


Top