আজ || সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
শিরোনাম :
  গোপালপুরে লবণের সঙ্গে নেশাজাতীয় দ্রব্য; শিশুসহ একই পরিবারের ৭ জন হাসপাতালে       এসএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের অনুশোচনা নেই – আব্দুস সালাম পিন্টু এমপি       গোপালপুরের উন্নয়ন নিয়ে প্রেসক্লাবে মতবিনিময় সভা       কৃষকনেতা ও সাংবাদিকের মুক্তির দাবিতে গোপালপুরে সিপিবির মানববন্ধন       গোপালপুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে কৃষক দলের বিজয় র‍্যালি       গোপালপুরের হাদিরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু আল হেলাল       গোপালপুরে ২১ এইচএসসি পরীক্ষার্থীর ওএমআর শিট হারিয়ে গেছে, আহ্বায়ককে অব্যাহতি       প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নদী খনন কর্মসূচির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে : প্রতিমন্ত্রী টুকু       গোপালপুরে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষকদের সংবর্ধনা       গোপালপুরে যমুনার ভাঙনে বিলীন বসতভিটা-আবাদি জমি, হুমকিতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ    
 


টাঙ্গাইলের মাহমুদপুর-পানকাতা গণহত্যা দিবস পালিত

কে এম মিঠু, গোপালপুর :

আজ বুধবার মাহমুদপুর-পানকাতা গণহত্যা দিবস পালিত হয়। এ উপলক্ষে গোপালপুর প্রেসক্লাবের উদ্যােগে পানকাতা ইসলামীয়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

প্রেসক্লাব সভাপতি অধ্যাপক জয়নাল আবদীনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন গোপালপুর উপজেলা পরিষদের ভাইসচেয়ারম্যান মীর রেজাউল হক, হাদিরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল কাদের তালুকদার, থানা কমিউনিটি পুলিশিং এর সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার কে এম গিয়াস উদ্দিন, শিক্ষক সমিতির সভাপতি জি এম ফারুখ, প্রধান শিক্ষক মোফাখারুল ইসলাম লেবু, ধনবাড়ী উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি স ম জাহাঙ্গীর আলম, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সম্পাদক ইদ্রিস হোসন, গোপালপুর প্রেসক্লাবের সম্পাদক সন্তোষ কুমার দত্ত, শহীদ পরিবারের সদস্য জাহাঙ্গীর হোসন প্রমুখ।

বক্তারা একাত্তরের ৩০ সেপ্টম্বর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর হাতে ১৮ জন শহীদের স্মৃতি রক্ষার্থে একটি স্মৃতিস্তম্ব নির্মাণের দাবি জানান।

উল্লেখ্য, একাত্তর সালের এ দিন পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকার ও আলবদররা সাবেক এমএনএ হাতেম আলী তালুকদারের বাড়িতে অগ্নিসংযোগের পর সামনে অগ্রসর হয়। মাহমুদপুর বটতলা মাঠে আসলে কাদেরিয়া বাহিনীর কোম্পানি কমান্ডার হুমায়ুন বাঙ্গালের মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এক পর্যায়ে যুদ্ধের রসদ ফুরিয়ে গেলে মুক্তিযোদ্ধারা পিছু হটতে বাধ্য হয়। এরপর হানাদাররা মাহমুদপুর ও পানকাতা গ্রামের বহু বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়। যাকে সামনে পায় তাকেই গুলি করে। ফলে ১৮ জন শহীদ হন। গুরুতর আহত হন ১০ জন।


Top
error: Content is protected !!