আজ || সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নদী খনন কর্মসূচির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে : প্রতিমন্ত্রী টুকু       গোপালপুরে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষকদের সংবর্ধনা       গোপালপুরে যমুনার ভাঙনে বিলীন বসতভিটা-আবাদি জমি, হুমকিতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ       গোপালপুরে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ       গোপালপুরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের বিদায় সংবর্ধনা       গোপালপুর প্রেসক্লাবের সংবাদকর্মীদের সঙ্গে নবাগত ইউএনও’র মতবিনিময়       গোপালপুরসহ সারাদেশে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন       গোপালপুরে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের উদ্যোগে মাদকবিরোধী সভা অনুষ্ঠিত       তালের শাঁস বিক্রি করে সচ্ছলতার মুখ দেখছেন গোপালপুরের রবি       গোপালপুর পৌরসভায় কোরবানির বর্জ্য শতভাগ অপসারণ    
 


গোপালপুরে মাহমুদপুর গণহত্যা স্মরণে স্মৃতিস্তম্ভ

কে এম মিঠু, গোপালপুর :
মুক্তিযুদ্ধের পঞ্চাশ বছর পর গোপালপুর উপজেলার মাহমুদপুর গণহত্যা দিবসকে স্মরণীয় করে রাখতে নির্মিত হচ্ছে স্মৃতিস্তম্ভ “স্বাধীনতা সংগ্রাম”।

উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে নির্মাণাধীন দৃষ্টিনন্দন এ স্মৃতিস্তম্বের কৃষ্ণকায় সিড়ির উপর থাকবে মূলবেদী। আর মূলবেদীর জমিন থেকে দশ ফুট উচ্চতায় শোকের আবহ নিয়ে দাড়িয়ে থাকবে কৃষ্ণকায় চতুস্কোন মিনার। মিনারের মাঝজমিনে জুড়ে থাকবে রক্তআখরের প্রান্তর। স্মৃতিস্তম্বের ডানপাশে শ্বেতপাথরে খোদাই করা থাকবে মাহমুদপুর বটতলা যুদ্ধের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস। আর বামপাশে থাকবে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর হাতে শহীদগণের নামের তালিকা।

আজ শনিবার স্মৃতিস্তম্বের নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. পারভেজ মল্লিক, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার সুরুজ, প্রেসক্লাব সভাপতি জয়নাল আবেদীন, শহীদ পরিবারের সন্তান শফি তালুকদার। এ সময় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মাহমুদপুর বটতলা নামক স্থানে মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী বহুবাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়। বর্বররা নৃশংসভাবে গুলি করে মারেন নিরীহ ১৯ জনকে।

মন্তব্য করুন -


Top
error: Content is protected !!