আজ || বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
শিরোনাম :
  গোপালপুরের সেই বাড়িতে দুর্ধষ চুরি, এলাকায় আতঙ্ক       গোপালপুরে লবণের সঙ্গে নেশাজাতীয় দ্রব্য; শিশুসহ একই পরিবারের ৭ জন হাসপাতালে       এসএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের অনুশোচনা নেই – আব্দুস সালাম পিন্টু এমপি       গোপালপুরের উন্নয়ন নিয়ে প্রেসক্লাবে মতবিনিময় সভা       কৃষকনেতা ও সাংবাদিকের মুক্তির দাবিতে গোপালপুরে সিপিবির মানববন্ধন       গোপালপুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে কৃষক দলের বিজয় র‍্যালি       গোপালপুরের হাদিরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু আল হেলাল       গোপালপুরে ২১ এইচএসসি পরীক্ষার্থীর ওএমআর শিট হারিয়ে গেছে, আহ্বায়ককে অব্যাহতি       প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নদী খনন কর্মসূচির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে : প্রতিমন্ত্রী টুকু       গোপালপুরে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষকদের সংবর্ধনা    
 


গোপালপুরে যমুনার ভাঙনে বিলীন বসতভিটা-আবাদি জমি, হুমকিতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ

কে এম মিঠু, গোপালপুর :

টাঙ্গাইলের গোপালপুর ও ভূঞাপুর উপজেলায় চলতি বর্ষায় যমুনা নদীর তীব্র ভাঙনে বসতভিটা ও আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। এতে বহু পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একই সঙ্গে ঝুঁকির মুখে পড়েছে ভূঞাপুর-তারাকান্দি যমুনা বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ কাম আঞ্চলিক মহাসড়কের শাখারিয়া স্লুইসগেট এলাকা। পানি বৃদ্ধি ও প্রবল স্রোতের কারণে চলতি বর্ষায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বর্ষা মৌসুমে যমুনার পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভাঙন শুরু হয়। গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের চর শাখারিয়া ও নলিন এলাকায় প্রথমে ভাঙন দেখা দেয়। শাখারিয়া স্লুইসগেটের পশ্চিম পাশে নদীভাঙনে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এখনো ভাঙন অব্যাহত রয়েছে।

হেমনগর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শামসুল আলম বলেন, যমুনার ভাঙনে প্রতি বছরই মানুষ বাড়িঘর ও আবাদি জমি হারাচ্ছে। এবারও অনেক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নলিন বাজার ও আশপাশের ব্যবসায়িক এলাকাও এখন ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে।

অন্যদিকে ভূঞাপুর উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়নের জগৎপুরা, গোবিন্দাসী ইউনিয়নের চিতুলিয়া এবং নিকরাইল ইউনিয়নের কোনাবাড়ী, নলছিয়া ও পাটিতাপাড়া গ্রামের শতাধিক পরিবার নদীভাঙনে বাড়িঘর ও জমিজমা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। এসব পরিবারের অনেকে যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষের সড়কের পাশে অস্থায়ী ছাপড়া তুলে বসবাস করছে। গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি নিয়ে তারা চরম দুর্ভোগে রয়েছে।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঢলের পানির চাপে ভূঞাপুর-তারাকান্দি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের শাখারিয়া স্লুইসগেট এলাকায় সিসি ব্লকের নিচের অংশের কিছু ক্ষতি হয়েছে। ২৩৫ মিটার এলাকায় জিওব্যাগ ডাম্পিং করে আপাতত বাঁধটি ঝুঁকিমুক্ত করা হয়েছে। নলিন বাজারের উজানে ক্ষতিগ্রস্ত অংশও দ্রুত মেরামত করা হবে, যাতে বাঁধের আর কোনো অংশ নদীগর্ভে বিলীন না হয়।

টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু বলেন, যমুনার ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো যাতে সরকারি সহায়তা পায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।


Top
error: Content is protected !!