আজ || শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
  এসএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের অনুশোচনা নেই – আব্দুস সালাম পিন্টু এমপি       গোপালপুরের উন্নয়ন নিয়ে প্রেসক্লাবে মতবিনিময় সভা       কৃষকনেতা ও সাংবাদিকের মুক্তির দাবিতে গোপালপুরে সিপিবির মানববন্ধন       গোপালপুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে কৃষক দলের বিজয় র‍্যালি       গোপালপুরের হাদিরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু আল হেলাল       গোপালপুরে ২১ এইচএসসি পরীক্ষার্থীর ওএমআর শিট হারিয়ে গেছে, আহ্বায়ককে অব্যাহতি       প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নদী খনন কর্মসূচির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে : প্রতিমন্ত্রী টুকু       গোপালপুরে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষকদের সংবর্ধনা       গোপালপুরে যমুনার ভাঙনে বিলীন বসতভিটা-আবাদি জমি, হুমকিতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ       গোপালপুরে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ    
 


চবিতে ফের সক্রিয় হিযবুত তাহরির

আসন্ন ভর্তি পরীক্ষাকে সামনে রেখে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরির। তারা গত এক সপ্তাহ ধরে পুরোদমে ক্যাম্পাসে কার্যক্রম চালাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে শাটলট্রেনসহ বিভিন্ন জায়গায় পোস্টারিং করেছে তারা।

সরেজমিন দেখা গেছে, দুটি শাটল ট্রেনের প্রায় প্রত্যেক বগিতে হিযবুত তাহরিরের পোস্টার। এছাড়াও রেললাইনের দু’পাশ, ক্যান্টনমেন্টের নতুনপাড়া, চৌধুরীহাট এবং ফতেয়াবাদ রেলওয়ে স্টেশনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায়ও পোস্টার সাঁটানো হয়েছে।  লাল ও কালো রঙের এসব পোস্টারে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়াশীল লেখার পাশাপাশি খেলাফত প্রতিষ্ঠার গণ-আন্দোলনে সবাইকে শামিল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। জালিম আখ্যা দিয়ে সরকারকে হঠানোর ডাকও  দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সংগঠনের বিভিন্ন উগ্রপন্থী মতাদর্শ তুলে ধরা হয়েছে তাতে।

নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন্ন ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিতে এই প্রচারণা। বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরাই থাকে হিযবুত তাহরিরের মূল টার্গেট। ধর্মের দোহাইসহ বিভিন্ন কৌশলে চলে তাদের সদস্য সংগ্রহ। আর তাদের সেই পাতা ফাঁদে পা দেয়

বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা।

২০০৫ সাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে হিযবুত তাহরির প্রকাশ্যে কার্যক্রম শুরু করে। তবে জন-নিরাপত্তার জন্য হুমকি ও জঙ্গি মদদের অভিযোগে সরকার ২০০৯ সালের ২২ অক্টোবর সংগঠনটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করলে লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে যায় তারা। এরপর বেশ কিছুদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে ধীরে চলো নীতিতে কার্যক্রম চালাতে থাকে তারা।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন্ন ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে যাতে মাথাচড়া দিয়ে উঠতে না পারে সেদিকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নজর দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সচেতন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর সিরাজ উদদৌল্লাহ বলেন, এরকম কার্যক্রমের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেলে তাদেরকে যথোপযুক্ত শাস্তির আওতায় আনা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রফিকুল ইসলাম বলেন, এই খবরটি আমাদের কাছে এসেছে। এরকম কার্যকমের সাথে জড়িতদের ধরতে গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে।


Top