আজ || রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
  গোপালপুরে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষকদের সংবর্ধনা       গোপালপুরে যমুনার ভাঙনে বিলীন বসতভিটা-আবাদি জমি, হুমকিতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ       গোপালপুরে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ       গোপালপুরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের বিদায় সংবর্ধনা       গোপালপুর প্রেসক্লাবের সংবাদকর্মীদের সঙ্গে নবাগত ইউএনও’র মতবিনিময়       গোপালপুরসহ সারাদেশে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন       গোপালপুরে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের উদ্যোগে মাদকবিরোধী সভা অনুষ্ঠিত       তালের শাঁস বিক্রি করে সচ্ছলতার মুখ দেখছেন গোপালপুরের রবি       গোপালপুর পৌরসভায় কোরবানির বর্জ্য শতভাগ অপসারণ       মনে পড়ে ব্রহ্মপুত্র নদীপাড়ের রানার মানিকের কথা    
 


বাবরের নির্দেশে ছেড়ে দেওয়া হয় তাদের

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক এস এম মজিবুর রহমানের আদালতে দেওয়া সাক্ষ্যে এ মামলার বাদী আহাদুর রহমান এ কথা বলেন। ২০০৪ সালের ১ এপ্রিল রাতে চট্টগ্রাম ইউরিয়া সার কারখানার (সিইউএফএল) জেটিঘাট থেকে ১০ ট্রাক অস্ত্র আটকের রাতে তিনি কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছিলেন।
সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামি সাবেক এনএসআইয়ের কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুর রহিমের পক্ষে আইনজীবী কামরুল ইসলাম সাক্ষীকে কিছুক্ষণ জেরা করেন। আদালত ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেছেন।
সাক্ষ্যে আহাদুর রহমান বলেন, ‘ঘটনার রাতে জেটিঘাট থেকে হাবিলদার গোলাম রসুল ও সার্জেন্ট হেলাল উদ্দিন উলফা সন্দেহে পাঁচ ব্যক্তিকে আটক করে বন্দর ফাঁড়িতে নেন। পরে সার্জেন্ট আলাউদ্দিনকে জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারি, আটক পাঁচজনকে বন্দর অঞ্চলের উপ-কমিশনার (ডিসি, পোর্ট) চট্টগ্রামের পুলিশ কমিশনারের পরামর্শে তত্কালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুত্ফুজ্জামান বাবরের নির্দেশে ছেড়ে দেওয়ার আদেশ দেন।’

দশ ট্রাক অস্ত্র আটকের পর ঘটনার রাতেই উলফা সন্দেহে আটক পাঁচজনকে তত্কালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের নির্দেশে ছেড়ে দেওয়া হয়।

মন্তব্য করুন -


Top
error: Content is protected !!