আজ || শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম :
  গোপালপুরে কোটা বিরোধীদের বিপক্ষে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিবাদ       গোপালপুর প্রেসক্লাবে মেধাবী শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময়       গোপালপুরে শতাধিক নিষিদ্ধ জাল পুড়িয়ে ধ্বংস       গোপালপুরে বর্নাত্যদের জন্য ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প       গোপালপুরে বন্যায় পানীয় জলের সংকট, তবে ক্ষতিগ্রস্তরা পাচ্ছে পর্যাপ্ত ত্রাণ       গোপালপুরে ভূয়া নামজারি ও জাল খতিয়ান তৈরি চক্রের দুই সদস্য আটক       টাঙ্গাইল জেলা সমিতি ঢাকা’র নবনির্বাচিত সভাপতি ইব্রাহীম, সম্পাদক হিরণ       গোপালপুরে বৃত্তি প্রদান ও পুরস্কার বিতরণ       গোপালপুরে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী পালন       গোপালপুরে ভূমি সেবা সপ্তাহে কুইজ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ    
 


হরতাল চায় জামায়াত, খালেদার অসম্মতি

undefined

 বর্তমান পরিস্থিতিতে হরতাল চায় জামায়াতে ইসলামী। সোমবার রাতে ১৮ দলের শরিকদের সঙ্গে বৈঠকে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বৈঠকে এমন প্রস্তাব দিয়েছে দলটি। তবে এ ব্যাপারে খালেদা জিয়া সম্মতি দেননি।

বৈঠক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সোমবার রাত নয়টা থেকে রাত সোয়া ১০টা পর্যন্ত চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যায়লয়ে এ বৈঠক চলে।

বৈঠক শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সমন্বয়ক তরিকুল ইসলাম জানান, ১৮ দলের কর্মসূচির ব্যাপারে দু-একদিনের ব্যাপারে সংবাদ সম্মেলন করে জানানো হবে।

তরিকুল বলেন, “১৮ দল চায়, আন্দোলন এমনভাবে করা হবে যেন সরকার নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে বাধ্য হয়।”

গত রোববার জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের বৈঠকে দলের সভানেত্রী ও প্র্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “নির্বাচনে কে এলো না এলো সেটা দেখার বিষয় নয়, সময়মতো নির্বাচন হবে।”

তরিকুল বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর যাই বলুন না কেন, ১৮ দল শপথ নিয়েছে, যেভাবেই হোক তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনা হবে। এক্ষেত্রে তারা ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের শপথ নিয়েছেন।”

শিবিরের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে আহত পুলিশ সদস্যদের দেখতে গিয়ে সোমবার ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার বেনজীর আহমেদ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তিনি পুলিশ সদস্যদের ভর্ৎসনা করেছেন। বলেছেন, “তোমরা কেন গুলি করোনি?”

তার এ বক্তব্যের ব্যাপারে তরিকুল বলেন, “এটা ডিএমপি কমিশনারের চরম ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য। এটা সংবিধান ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। তার এ বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়া উচিত।”

এদিকে, বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ১৮ দলের নেতারা খালেদা জিয়াকে কঠোর কর্মসূচি দেয়ার ব্যাপারে আহ্বান জানিয়েছেন। এসএসসি পরীক্ষার সময় ফেব্রুয়ারিতে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি মানবপ্রাচীর, বিক্ষোভ সমাবেশ ও ঢাকার বাইরে খালেদা জিয়ার জনসভার করার ব্যাপারে মত দিয়েছেন শরিকরা। পরে সরকারের ‘আচরণের’ ওপর ভিত্তি করে হরতাল দেয়া যেতে পারে- এমনও মতও দিয়েছেন তারা।

বৈঠক সূত্র আরো জানায়, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে রাজবাড়ীতে একটা জনসভা করার ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত হয়েছে।

জোটনেতা খালেদা জিয়ার সভাপতিত্বে বৈঠকে তরিকুল ইসলাম ছাড়াও জোট নেতাদের মধ্যে  আরো উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য আবদুল হালিম, এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল অলি আহমেদ, মহাসচিব ড. রেদওয়ান আহমেদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের চেয়ারম্যান মাওলানা মো. ইসহাক, ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান আবদুল লতিফ নেজামী, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) সভাপতি আন্দালিব রহমান পার্থ,  কল্যাণ পার্টির সভাপতি মেজর জেনারেল অব. সৈয়দ ইবরাহীম, জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, মহাসচিব খন্দকার লুৎফর রহমান, এনডিপির সভাপতি গোলাম মোর্তুজা, এনপিপির সভাপতি শেখ শওকত হোসেন নিলু, মহাসচিব ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, বাংলাদেশ ন্যাপের সভাপতি জেবেল আর গানি, এনডিপির চেয়ারম্যান খন্দকার গোলাম মোর্তজা, মহাসচিব আলমগীর মজুমদার,  মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া, বাংলাদেশ পিপলস লীগের সভাপতি গরীবে নেওয়াজ, ইসলামিক পার্টির সভাপতি আবদুল মুবিন, ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান আনোয়ারুল হক, লেবার পার্টির সভাপতি ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, মহাসচিব হামদুল্লাহ আল মেহে

মন্তব্য করুন -


Top
error: Content is protected !!