আজ || মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
শিরোনাম :
  গোপালপুরের সেই বাড়িতে দুর্ধষ চুরি, এলাকায় আতঙ্ক       গোপালপুরে লবণের সঙ্গে নেশাজাতীয় দ্রব্য; শিশুসহ একই পরিবারের ৭ জন হাসপাতালে       এসএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের অনুশোচনা নেই – আব্দুস সালাম পিন্টু এমপি       গোপালপুরের উন্নয়ন নিয়ে প্রেসক্লাবে মতবিনিময় সভা       কৃষকনেতা ও সাংবাদিকের মুক্তির দাবিতে গোপালপুরে সিপিবির মানববন্ধন       গোপালপুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে কৃষক দলের বিজয় র‍্যালি       গোপালপুরের হাদিরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু আল হেলাল       গোপালপুরে ২১ এইচএসসি পরীক্ষার্থীর ওএমআর শিট হারিয়ে গেছে, আহ্বায়ককে অব্যাহতি       প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নদী খনন কর্মসূচির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে : প্রতিমন্ত্রী টুকু       গোপালপুরে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষকদের সংবর্ধনা    
 


মৃত্যুর কারণ জানতে আরাফাতের দেহাবশেষ তোলা হচ্ছে

বিষপ্রয়োগে তাঁকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে- এই সন্দেহ ওঠায় মৃত্যুর প্রায় আট বছর পর ফিলিস্তিন মুক্তি আন্দোলনের প্রবাদপ্রতিম নেতা ইয়াসের আরাফাতের দেহাবশেষ কবর থেকে তোলার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
এ বছরই সুইজারল্যান্ডের এক গবেষণাগারে মি আরাফাতের ব্যবহৃত পোশাকে তেজস্ক্রিয় পোলোনিয়ামের উপস্থিতি পাওয়ার পর এই সন্দেহ দেখা দেয়।
পশ্চিম তীরের শহর রামাল্লায় ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট-ভবন সংলগ্ন এলাকায় ইয়াসির আরাফাতের কবরের ওপর তৈরি সমাধিটি এখন বেড়া এবং পর্দা দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়েছে। এলাকাটির চারদিকের রাস্তাগুলোও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
যদিও এখনো কোন তারিখ নির্ধারিত হয়নি, তবে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ বলেছেন যে আগামী সপ্তাহগুলোতেই কোন এক সময় তা শুরু হবে।
বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করে দেখবেন ইয়াসির আরাফাতের দেহাবশেষে কোন তেজস্ক্রিয় পদার্থের বিষক্রিয়ার প্রমাণ পাওয়া যায় কিনা।
কিভাবে উঠলো এই অভিযোগ?
প্যারিসের একটি হাসপাতালে মি আরাফাত মারা যান ২০০৪ সালের ১১ই নভেম্বর। তখন মৃত্যুর কারণ হিসেবে বলা হয়েছিল যে তার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বা স্ট্রোক হয়েছিল ।
২০০৫ সালে আমেরিকান দৈনিক নিউইয়র্ক টাইমস মি আরাফাতের চিকিৎসা সংক্রান্ত দলিলপত্রের একটি কপি হাতে পায় । এতে বলা হয়েছিল যে একটি অজানা সংক্রমণ থেকে আরাফাতের রক্তক্ষরণ-জনিত সমস্যা হয়েছিল যার পরিণামে তার স্ট্রোক হয়।
২০১২ সালের জুলাই মাসে আল জাজিরা টেলিভিশন একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রচার করে।
ইয়াসির আরাফাতের যেসব ব্যক্তিগত জিনিসপত্র তার স্ত্রী সুহার কাছে ছিল – সেগুলো ওই প্রামাণ্যচিত্রের নির্মাতারা সুইজারল্যান্ডের লুসান বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অব রেডিয়েশন ফিজিক্স-এর বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করায়।
সেখানকার সুইস বিজ্ঞানীরা আল-জাজিরাকে বলেন যে তারা আরাফাতের পোশাকসহ বিভিন্ন জিনিসপত্রে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে পোলোনিয়াম-২১০ নামে একটি তেজস্ক্রিয় পদার্থের উপস্থিতি দেখতে পেয়েছেন। তারা জানান কোথাও কোথাও এর মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ১০ গুণ পর্যন্ত বেশি এবং এটা কোন প্রাকৃতিক উৎস থেকে আসার কথা নয়।
এর পরই গত জুলাই মাসে ফ্রান্সের নানটিয়ারে শহরে একটি আদালতে মামলা করেন মি আরাফাতের বিধবা স্ত্রী সুহা তাওয়িল।
মামলার পর ফ্রান্সে এ ব্যাপারে হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়।
এর পর মিসেস আরাফাত এবং ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে সুইস ইন্সটিটিউটটি রামাল্লায় আরাফাতের যে কবর তা খুঁড়ে দেহাবশেষ ওঠানোর উদ্যোগ নেয়।
গত মাসে আরাফাতের মৃত্যু তদন্তকারী ফরাসী আইনজীবীরা সুহা আরাফাতকে একজন সাক্ষী হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদও করেন।[বিবিসি নিউজ]


Top
error: Content is protected !!