আজ || বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম :
  গোপালপুরে কোটা বিরোধীদের বিপক্ষে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিবাদ       গোপালপুর প্রেসক্লাবে মেধাবী শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময়       গোপালপুরে শতাধিক নিষিদ্ধ জাল পুড়িয়ে ধ্বংস       গোপালপুরে বর্নাত্যদের জন্য ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প       গোপালপুরে বন্যায় পানীয় জলের সংকট, তবে ক্ষতিগ্রস্তরা পাচ্ছে পর্যাপ্ত ত্রাণ       গোপালপুরে ভূয়া নামজারি ও জাল খতিয়ান তৈরি চক্রের দুই সদস্য আটক       টাঙ্গাইল জেলা সমিতি ঢাকা’র নবনির্বাচিত সভাপতি ইব্রাহীম, সম্পাদক হিরণ       গোপালপুরে বৃত্তি প্রদান ও পুরস্কার বিতরণ       গোপালপুরে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী পালন       গোপালপুরে ভূমি সেবা সপ্তাহে কুইজ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ    
 


শুক্রবার সকালে শিক্ষকদের ফের মহাবস্থান

চাকরি জাতীয়করণের একদফা দাবিতে পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শিক্ষক তাদের মহাবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছেন।  বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত প্রেস ক্লাবের সামনের সড়কে দ্বিতীয় দিনের মতো অবস্থান নেন। এসময় শিক্ষকরা থেমে থেমে বিক্ষোভ ও বক্তৃতা করেন। দুপুরের পর অবস্থান কর্মসূচি শুক্রবার সকাল ৯ টা পর্যন্ত মুলতুবি ঘোষণা করে আন্দোলনকারী শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোট। সংশ্লিষ্টরা জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে ১৪ দলের মানববন্ধন থাকায় জনদুর্ভোগের বিষয়টি চিন্তা করে কর্মসূচি মুলতবি করা হয়েছে।

চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের ব্যানারে গত ১০ জানুয়ারি থেকে লাগাতার ধর্মঘট পালন করছে। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ি এক দফা ওই দাবিতে সারাদেশের হাজার হাজার শিক্ষক গত বুধবার থেকে ঢাকায় মহাবস্থান শুরু করেন। বৃহস্পতিবার ছিলো অবস্থানের দ্বিতীয় দিন।

বুধবার প্রথমদিনের অবস্থান শেষে রাতে শিক্ষকরা যে যার মতো করে হোটেল, আত্মীয়ের বাসায় অবস্থান করেন। ভোর হতেই পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ি সকাল ৮ টার আগেই তারা প্রেস ক্লাবের সামনে জড়ো হতে থাকেন। সেখানে গিয়েই তারা দেখেন পুরো প্রেস ক্লাব এলাকা পুলিশ ও র্যাবের দখলে। জলকামান, ঢাল-তলোয়ার নিয়ে যুদ্ধাংদেহী অবস্থান তাদের। শিক্ষকরা অবস্থান নিতে চাইলে পুলিশ তাদের রাস্তা দাড়াতেই দেয়নি। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শিক্ষকদের সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে পুলিশ। সময় গড়ালে এক পর্যায়ে শিক্ষকদের জমায়েত কয়েক হাজার ছাড়িয়ে যায়। ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান সেলিম ভূইয়া সেখানে উপস্থিত হয়ে ঘোষণা দেন  যে, পুলিশি বাধা উপেক্ষা করেই প্রেস ক্লাবের সামনেই অবস্থান কর্মসূচি চলবে। এ ঘোষণার পরপরই শিক্ষকরা রাস্তায় অবস্থান নেন। বাধার পরও প্রেস ক্লাব, কদম ফোয়ারা ও সচিবালয় সড়ক পর্যন্ত দখল করে নেন শিক্ষকরা। দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত শিক্ষকদের অবস্থান, বিক্ষোভ ও সমাবেশ চলে। তবে জনদুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পুলিশের অনুরোধে রাস্তার একতৃতীয়াংশ যানবাহন চলাচলের জন্য সুযোগ করে দেন আন্দোলনকারীরা। এরপরও প্রেসক্লাব ও এর আশপাশের সড়কে  তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

মন্তব্য করুন -


Top
error: Content is protected !!