
গঠিত হয়নি ইসির আইনজীবী প্যানেল।নির্বাচন কমিশন ট্রাইব্যুনালের বিভিন্ন মামলা ও কমিশনের আইন সংশোধনীর জন্য দৈনিক কাগজে একাধিক বিজ্ঞপ্তি দিয়েও আইনজীবী প্যানেল গঠনে যোগ্য ব্যক্তি পাচ্ছে না নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসি সূত্র জানায়, গত বছরের ২৮ জুন ইসি এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ইসির আইনজীবী প্যানেলের জন্য হাইকোর্ট বিভাগে রিট মামলা পরিচালনায় কমপক্ষে ১০ বছরের অভিজ্ঞতা এবং আপিল বিভাগে মামলা পরিচালনায় কমপক্ষে ৫ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা সম্পন্নদের কাছ থেকে আবেদন চায়। কিন্তু এতে আইনজীবীদের সাড়া না পেয়ে গত ৩০ডিসেম্বর নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ইসি। এতে হাইকোর্ট বিভাগে এবং আপিলবিভাগে শুধু মামলা পরিচালনার অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়। একজন নির্বাচন কমিশনার বলেন, “নির্বাচন কমিশনের আইন বিভাগের উপ-সচিব পদ বেশ কিছুদিন ধরে খালি।আইন বিভাগের উপ-সচিব মূলত আইন বিভাগ ও আইনজীবীর বিষয়ে কাজ করেন। তবে গত সপ্তাহে আইন বিভাগে একজন উপ-সচিব যোগদান করেছেন।” ইসির এক সিনিয়র সহকারী সচিব বলেন, “আইনজীবীর অভাবে উপজেলা পরিষদের বিধিমালা চূড়ান্ত করতে পারছে না ইসি।” এবিষয়ে সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াতহোসেন বলেন, “বর্তমান সময়ে যোগ্য ও নিরপেক্ষ আইনজীবী পাওয়া খুবই কঠিন। বেশির ভাগ আইনজীবীই দলীয় রাজনীতিতে জড়িত। তাই যোগ্য আইনজীবী পাওয়া গেলেওনিরপেক্ষ আইনজীবী পাওয়া যায় না। আমরাও যোগ্য আইনজীবী প্যানেল গঠনের জন্যকাজ করেছিলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত যোগ্য ও নিরপেক্ষ লোক খুঁজে পাইনি।”নির্বাচন কমিশন সচিবালয় সূত্রে জানা যায়, আইনজীবী প্যানেলে যোগ দিতে অসংখ্য আবেদন এলেও অধিকাংশতেই যোগ্যতার ব্যাপক ঘাটতি দেখা গেছে।
ইসির চাহিদা অনুযায়ী, কাগজপত্র নাদিলেও প্রস্তাবিত ফি উল্লেখ করেছেন এই আইনজীবী। গত ৫ বছরে ইসির অন্তত ২০০টি মামলা পরিচালনা করেছেন তিনি। এগুলোর কয়েকটি ছাড়া সব ক্ষেত্রেই ইসির পক্ষে আদালতের রায় আসে।
[বাংলাদেশটাইমস.নেট /মাহমুদ আনাম/ঢাকা]
সম্পাদক : অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন | নির্বাহী সম্পাদক : কে এম মিঠু
প্রকাশক কার্যালয় : বেবি ল্যান্ড, বাজার রোড গোপালপুর, টাঙ্গাইল -১৯৯০, বাংলাদেশ।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০১৯-২০২৩