
নিজস্ব প্রতিনিধি :
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার নগদাশিমলা ইউনিয়নের বাইশকাইল তালুকদার পাড়া গ্রামে নেশা জাতীয় দ্রব্য মিশানো লবন খেয়ে দুই শিশুসহ একই পরিবারের সাতজন অসুস্থ হয়ে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এদের মধ্যে গৃহস্বামী আনোয়ার হোসেনের অবস্থা গুরুতর।
ওই গ্রামের বাসিন্দা রাজু ফকির জানান, আজ রবিবার সকালে পরিবারের সদস্যরা নাস্তা খেয়ে সবাই একে একে অসুস্থ হয়ে পড়েন। বমি ও পাতলা পায়খানার পর পরিবার প্রধান আনোয়ার হোসেন, স্ত্রী আনোয়ারা খাতুন, তিন কন্যা আরিফা বেগম, হামিদা বেগম, অনামিকা খাতুন এবং আরিফা খাতুনের দুই বাচ্চা রওশান(৮) এবং রায়েতা (৫) জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে পড়শিরা অজ্ঞান অবস্থায় গোপালপুর উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে।
আরিফা বেগম জানান, রান্নাঘরে রাখা লবনের পটে শত্রুতাবশতঃ কেউ না কেউ বিষাক্ত বা নেশাজাতীয় কিছু মিশিয়েছে। সেই লবনে রান্না করা খাবার এবং খাবারে বাড়তি লবন খেয়ে সবাই অজ্ঞান হয়ে পড়ে।
সাবেক ইউপি সদস্য হালিম মিয়া জানান, ইদানিং এক শ্রেণীর দুস্কৃতকারি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে রাতের বেলায় গৃহস্তের রান্না ঘরের লবনের সাথে বিষাক্ত বা নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে রাখে। সেই লবনে রান্না করা খাবার বা বাড়তি লবন খেয়ে সবাই অজ্ঞান হয়ে পড়লে সব কিছু চুরি করে নিয়ে যায়। এটি এমন ঘটনা বলে তিনি মনে করেন।
গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. খাইরুল ইসলাম জানান, একই পরিবারের ৭ জনকে অজ্ঞান অবস্থায় আজ দুপুরে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাদের চিকিৎসা চলছে। লবনের সাথে নেশা জাতীয় কিছু মিশানো হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে।
গোপালপুর থানার ওসি মো. রুহুল আমীন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে যায় এবং খোঁজখবর নেয়। অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।
গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মঞ্জুরুল মোর্শেদ হাসপাতাল পরিদর্শন করেন।
সম্পাদক : অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন | নির্বাহী সম্পাদক : কে এম মিঠু
প্রকাশক কার্যালয় : বেবি ল্যান্ড, বাজার রোড গোপালপুর, টাঙ্গাইল -১৯৯০, বাংলাদেশ।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০১৯-২০২৩