
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক থেকে গোপালপুর উপজেলার প্রবেশমূখ পোড়াবাড়ী থেকে পিংনা পর্যন্ত ২২ কিলোমিটার সরু এবং খানাখন্দে জর্জরিত সড়কটি সংস্কার ও প্রশস্তকণের দাবিতে গতকাল সোমবার সকালে গোপালপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সর্বস্তরের জনগণের অংশ গ্রহণে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়েছে।
টাঙ্গাইল জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতি গোপালপুর প্রান্ত আয়োজিত এ মানববন্ধন শেষে গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রনালয় বরাবর স্বারক লিপি প্রদান করে।
টাঙ্গাইলের প্রাচীন জনপদ গোপালপুরের এ সড়ক দিয়ে দেশের বৃহত্তম ইউরিয়া সার কারখানা যমুনা ফার্টিলাইজারের উৎপাদিত সার সরবরাহ, এশিয়ার বৃহত্তম ২০১ গম্বুজ মসজিদ ও হেমনগর জমিদারবাড়ী, সরকারি কলেজসহ বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শনে হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন শতাধিক বাস, ট্রাকসহ অন্যান্য যানবাহনের মাধ্যমে দূর্ভোগ পোহায়ে এ সড়কটি ব্যবহার করে থাকে। রাস্তাটি এতোই সরু যে ২টি গাড়ি পাশাপাশি সাইড দিতে পারে না। এ ব্যাপারে বিভিন্ন সময় সড়ক ও জনপথ বিভাগে যোগাযোগ করার পরও সড়কটি সংস্কার না করায় এখন চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।
মানববন্ধন কর্মসূচীতের অংশ নেয়া বক্তারা অবিলম্বে সড়কটি প্রশস্তকরণসহ সংস্কার করার দাবি জানান এবং এ ব্যস্ততম সড়কটি দ্রুত সময়ের মধ্যে সংস্কার করা না হলে কঠোর আন্দোলনেরও ঘোষণা দেন।
মানববন্ধন কর্মসূচীতের অংশ নেন, পৌর মেয়র ও টাঙ্গাইল জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতি গোপালপুর শাখার উপদেষ্টা মো. রকিবুল হক ছানা, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মরিয়ম আক্তার মুক্তা, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি কে এম গিয়াস উদ্দিন, টাঙ্গাইল জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতি গোপালপুর শাখার সভাপতি রহমাতুল কিবরিয়া বেলাল, সিনিয়র সহসভাপতি সুভাস চন্দ্র কুন্ডু, সাধারণ সম্পাদক বাবু চিত্তরঞ্জন সাহা, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল কাদের তালুকদারসহ গোপালপুর শাখার বাস-মিনিবাস, ট্রাক মালিক সমিতি, বাস কোচ-মিনিবাস, ট্রাক, অটো ভ্যান, টেম্পু সিএনজি শ্রমিক ইউনিয়নের কর্মকর্তা, সদস্য এবং সর্বস্তরের জনগণ।
সম্পাদক : অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন | নির্বাহী সম্পাদক : কে এম মিঠু
প্রকাশক কার্যালয় : বেবি ল্যান্ড, বাজার রোড গোপালপুর, টাঙ্গাইল -১৯৯০, বাংলাদেশ।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০১৯-২০২৩