আজ || বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
শিরোনাম :
  গোপালপুরের সেই বাড়িতে দুর্ধষ চুরি, এলাকায় আতঙ্ক       গোপালপুরে লবণের সঙ্গে নেশাজাতীয় দ্রব্য; শিশুসহ একই পরিবারের ৭ জন হাসপাতালে       এসএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের অনুশোচনা নেই – আব্দুস সালাম পিন্টু এমপি       গোপালপুরের উন্নয়ন নিয়ে প্রেসক্লাবে মতবিনিময় সভা       কৃষকনেতা ও সাংবাদিকের মুক্তির দাবিতে গোপালপুরে সিপিবির মানববন্ধন       গোপালপুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে কৃষক দলের বিজয় র‍্যালি       গোপালপুরের হাদিরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু আল হেলাল       গোপালপুরে ২১ এইচএসসি পরীক্ষার্থীর ওএমআর শিট হারিয়ে গেছে, আহ্বায়ককে অব্যাহতি       প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নদী খনন কর্মসূচির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে : প্রতিমন্ত্রী টুকু       গোপালপুরে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষকদের সংবর্ধনা    
 


পর্যবেক্ষণ ভিত্তিক বিনিয়োগ প্রবনতা স্থিতিশীলতার অন্তরায়

পুঁজিবাজারকে মন্দাবস্থা থেকে টেনে তুলতে প্রায় দু’বছর ধরেই সক্রিয় হয়েছে নীতিনির্ধারণী মহল। তবে সংশ্লিষ্ট মহলের তৎপরতা বিনিয়োগকারীদের মানসিকতা বদলাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। আর বর্তমান বাজারে যে পরিস্থিতি বিরাজ করছে তাতে পর্যবেক্ষণ বিনিয়োগের মূলমন্ত্র হয়ে দেখা দিয়েছে।

পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত জরুরি। তবে বর্তমানে বিনিয়োগকারীদের পর্যবেক্ষক হওয়ার বিষয়ে পুরোপুরি একমত নন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে একটি কোম্পানির সার্বিক বিষয় পর্যবেক্ষণে থাকতে হবে। বাজার গতি বিধির বিষয়টিও বিনিয়োগকারীদের জানার মধ্যে থাকতে হবে।

কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে পর্যবেক্ষণের বিষয়টি বদলে গেছে। বিশেষ করে পুঁজিপতি এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের প্রক্রিয়া স্থিতিশীলতার অন্তরায় বলে মনে করেন তারা। দীর্ঘদিন দরপতনের পর সামান্য উঠতি বাজারে শেয়ার বিক্রি করা এখন এ ধরনের বিনিয়োগকারীদের মুনাফার অন্যতম প্রক্রিয়া।

এ প্রসঙ্গে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, অনেক চেস্টার পর প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সঠিকভাবে বিনিয়োগে ফেরানো সম্ভব হয়নি। বাজার দেখে বিনিয়োগ করার প্রবণতা এখনো কাটেনি। দীর্ঘদিন পর পর বাজারে সামান্য উত্থান হলে হুমড়ি খেয়ে শেয়ার বিক্রির প্রবণতার কারণেই মুলত: বাজার স্থিতিশীল হচ্ছে না।

পাশাপাশি শেয়ার কেনার ক্ষেত্রেও তারা বেছে নিয়েছে ভিন্ন পথ। অনেক সময় ধরে অল্প অল্প করে শেয়ার কেনার কারণে সার্বিক বাজার দরে তেমন প্রভাব পড়ে না। কিন্তু বিক্রির ক্ষেত্রে চাপটা বেশি হবার কারণে তা বাজারে প্রভাব ফেলে।

তিনি আরো বলেন, পুঁজিপতি বা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা মূলধনের সমৃদ্ধির কারণে কোম্পানির শেয়ারের দর নিয়ন্ত্রনে সক্ষম। তাই দীর্ঘদিন মন্দা বাজারে শেয়ার কেনার পর সেই শেয়ারের দর বাড়ানো হচ্ছে না তা বলা কঠিন। কারণ নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য তারাই শেয়ারের দর বাড়িয়ে বা কমিয়ে থাকতে পারে।

বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান বাজারে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা অনেকটা অসহায়। পুঁজি আটকে থাকার কারণে অনেক বিনিয়োগকারী এখনো লেনদেনের সাহস পাচ্ছেন না। এ সুযোগে যাদের সক্ষমতা বেশি তারা ফায়দা লুটে নিচ্ছে। এতে বিনিয়োগকারী বা বাজারের ক্ষতি হলেও তারা মুনাফা করতে পারছে। তাই ক্ষতিগ্রস্তদের বিষয়ে না ভাবলেও তাদের চলে।

যে কারণে বিনিয়োগের যে বিষয়গুলোতে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন তা না করে দর ওঠানামাই যদি পর্যবেক্ষণের মূল বিষয় হয় তবে তা বাজারকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। পাশাপাশি বাজারে একটি কোম্পানির শেয়ার দর নিয়ন্ত্রনের যে সুযোগ রয়েছে, ইতিবাচক পদক্ষেপের মাধ্যমে তা বন্ধ করার উদ্যোগ নিতে হবে। যদি এ ধরনের কারসাজির সুযোগ বন্ধ করা যায় তাহলে শেয়ারের দর ভিত্তিক পর্যবেক্ষণে র প্রক্রিয়াও বন্ধ হবে।


Top
error: Content is protected !!