আজ || মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
  শিপন রানা ৪৬তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে প্রথম       নুরানী তালিমুল কুরআন বোর্ড বাংলাদেশের প্রশিক্ষণ কর্মশালা       গোপালপুরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে উপজেলা প্রশাসনের জরুরী মিটিং       গোপালপুর পৌরশহরের বৈরাণ সেঁতুর জীর্নদশা; নির্মাণ প্রকল্প ফাইলবন্দী       ঘাটাইল উপজেলাসহ জেলার শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক বাসুদেব পাল       শিক্ষার্থী মুনের অনেক গুণ       গোপালপুরে ডাকবাংলোতে ঝুঁকি নিয়ে অতিথিদের রাত যাপন       গোপালপুরে স্কুল শিক্ষিকার বাসায় ডাকাতি       গোপালপুরে ঝিনাই সেঁতুতে সংযোগ সড়ক না হওয়ায় নিদারুণ ভোগান্তি       গোপালপুর উপজেলা পরিষদ স্কুলে ফলাফল প্রকাশ ও পুরস্কার বিতরণ    
 


চিকিৎসক সাজিয়া আফরিন ইভা হত্যার কথা স্বীকার করেছে ব্রাক ক্লিনিকের কর্মচারী আসামি ফয়সাল

চিকিৎসক সাজিয়া আফরিন ইভা হত্যার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে দক্ষিণখানের ব্রাক ক্লিনিকের কর্মচারী আসামি মো. ফয়সাল।

রোববার ঢাকার মহানগর হাকিম হাসিবুল হক তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামি ফয়সালকে আদালতে হাজির করে তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেওয়ার আবেদন করেন।

আদালত সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে ধর্ষণের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে ইভাকে হত্যা করে ফয়সাল।
গত বৃহস্পতিবার রাতে ক্লিনিকের তিন তলায় একটি কক্ষে থাকতেন ফয়সাল। একই তলায় আরেক পাশে চিকিৎসকদের বিশ্রামাগার।

ওই দিন কাজ শেষে বিশ্রামাগারে ছিলেন ইভা। রাত সাড়ে ১২টার দিকে ফয়সাল দরজায় করাঘাত করেন। দরজা খোলা মাত্রই তিনি কক্ষে ঢুকে ইভাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালান। ইভা বাধা দিতে থাকলে ধস্তাধস্তি হয় এবং এক পর্যায়ে তাঁকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে নিজের কক্ষে চলে যান ফয়সাল।

আসামি ফয়সালকে শুক্রবার গভীর রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের শামু নানার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ইভা ২০০৮ সালে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন। তিন মাস আগে তিনি ব্র্যাকের ক্লিনিকে খন্ডকালীন চিকিৎসক হিসেবে চাকরি করতেন।
নিহত ইভার বাবা মনিরুল ইসলাম ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আদালতে পুলিশের উপ-পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত আছেন।

মন্তব্য করুন -


Top
error: Content is protected !!